বিনোদন ডেস্ক
হলিউডের সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের তিনি একজন। যেমন তার সৌন্দর্য, তেমনি অভিনয় প্রতিভা, আবার তেমনই বিতর্কিত তার ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্কগুলোও। কথা হচ্ছে, এলিজাবেথ টেইলরকে নিয়ে। ১৯৩২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আজকের এই দিনে এলিজাবেথ জন্ম নেন লন্ডনে।
তার মার্কিন পিতা-মাতা লন্ডন প্রবাসী থাকলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ফিরে আসেন আমেরিকায়। লস অ্যাঞ্জেলসে শুরু হয় তার নতুন জীবন। এলিজাবেথ টেলর ছিলেন আজন্ম শিল্পী। মাত্র ৩ বছর বয়েসে নাচতে শুরু করেন অভিনেত্রী মায়ের কন্যা ছোট্ট এলিজা। মাত্র ১০ বছর বয়েসে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। ১২ বছর বয়েসে পর পর কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করে রীতিমতো তারকা বনে যান কিশোরী এলিজাবেথ।
কিন্তু এতসব সাফল্যের পাশাপাশি ট্র্যাজেডি আর বড় বড় ধাক্কাও মোকাবেলা করেন বিশ্বখ্যাত এই অভিনেত্রী। প্রযোজক স্বামী মাইক টড মারা যান ১৯৫৮ সালে।

‘ক্লিওপেট্রা’ ছবিতে অভিনয়ের সময় প্রেমে পড়েন অভিনেতা রিচারড বারটনের সঙ্গে, পরের বছর ১৯৬৪ সালেই বিয়ে করেন তাকে। তার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে কানাকানি চলতেই থাকে চলচ্চিত্র জগতে। সঙ্গে চলতে থাকে এলিজার সাফল্যের অপ্রতিরোধ্য গতি। অভিনয় ছাড়াও নানা সমাজ সচেতনতামূলক কাজেও অংশ নেন কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী। এইডস সম্পর্কে প্রচারণা চালান এ রোগে ঘনিষ্ঠ বন্ধু রক হাডসনের মৃত্যুর পর।
একাধিকবার অস্কার ছাড়াও অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন অ্যামেরিকান ফিল্ম ইন্সটিটিউট এর লাইফ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড বা আজীবন সম্মাননা।

তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে ‘ফাদার অব দ্য ব্রাইড’, ‘আ প্লেস ইন দ্য সান’, ‘জায়ান্ট’, ‘সাডেনলি লাস্ট সামার’, ‘বাটারফিল্ড ৮’, ‘দ্য ভিসিপিস’, ‘হুজ অ্যাফ্রেড অব দ্য ভার্জিনিয়া উলফস’ উল্লেখযোগ্য। তবে বড় পর্দায় তিনি অমরত্ব পেয়েছেন ‘ক্লিওপেট্রা’ হয়ে। জন্মদিনে এই তারকাকে নিয়ে থাকল কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
স্কিন ক্যানসার, ব্রেন টিউমার, হার্ট ফেইলিউর সবকিছুর সঙ্গে লড়ে, ক্লান্ত হয়ে ২০১১ সালের ২৩ মার্চ ৭৯ বছর বয়সে চার সন্তান রেখে মারা যান তিনি।






















