বিনোদন ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:০৬

নাদিয়া আলী: পর্নস্টার হয়েছিলেন রক্ষনশীল পাকিস্তানী পরিবারের যে মেয়ে

বিনোদন ডেস্ক।।

নাদিয়া আলী, আর দশটা পাকিস্তানী পরিবারের রক্ষনশীল মেয়ের মতই যিনি বেড়ে উঠেছিলেন। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর পরিবার থেকে চাপ দেওয়া হয় হিজাব পরিধান করতে। কিন্তু নাদিয়া তা প্রত্যাখান করেন। সেদিন কে জানতো এই মেয়েটি একসময় পর্ন দুনিয়ার সম্রাজ্ঞী হয়ে উঠবেন।

হিজাবকে প্রত্যাখান করে পরিবারে সাথে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে নাদিয়ার। কিন্তু সেই নারীই শুধুমাত্র পর্নোগ্রাফি দুনিয়ায় বেশি পরিচিতি পাওয়ার আশায় পর্নোগ্রাফি ভিডিওতে হিজাব পরিধান শুরু করেন। যা তাকে পর্নো দুনিয়ায় খ্যাতি এনে দেয়। স্বভাবতই রক্ষনশীল মুসলিম পরিবারের মেয়েরা পর্নোগ্রাফিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার নজির খুব কম। 

তার অভিনীত পর্নোগ্রাফিক চলচিত্র ওয়েলকাম টু উওমেন অফ দ্য মিডল ইস্টে তিনি দেখান কিভাবে গৃহ নির্যাতনের মাধ্যমে একজন পুরুষের কামউত্তেজনা জাগানো যায়। তিনি পাকিস্তানের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ধর্মের চেয়ে সংস্কৃতিকে বেশি দোষারোপ করেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষ করে পাকিস্তান অঞ্চলের মেয়েদের জন্য একক লেসবিয়ান পর্ণোগ্রাফিতে অভিনয় করতে ইচ্ছাপোষণ করেছিলেন। যদিও হিজাব পরিধান করে পর্নোগ্রাফিতে অভিনয়ের জন্য পাকিস্তান থেকে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

২০১৬ সালে ২০টি চলচিত্রে অংশগ্রহণের পরে তিনি তার ২১ তম পর্নোগ্রাফির জন্য একটি পরিকল্পনা খুঁজে পান। পরিকল্পনাটি ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো দেখতে এক ব্যক্তি এক মুসলিম নারীর সাথে সঙ্গম করবেন। এ লক্ষ্যে ফ্লোরিডাতে জায়গা নির্ধারণ করা হয় তবে ২০১৬ পাল্‌স অরলান্ডোতে হোয়াইট সুপ্রেমিস্টদের ভয়াবহ হামলায় ৫০ জনের মৃত্যু হলে তিনি ভয়ে শুটিং বাতিল করেন। এরপর তাকে আর পর্নোগ্রাফিতে দেখা যায় নি। তবে জানা যায় যে তিনি এখন প্রসাধনী ব্যাবসায় মনোনিবেশ করেছেন।

তার কর্মকান্ডের জন্য বহুবার তিনি অনলাইনে হত্যার হুমকি পেলেও তিনি নিজেকে একজন মুসলিম বলেই দাবি করেন। তিনি এও দাবি করেন যে তিনি প্রতিদিন প্রার্থনা করেন।