বিনোদন ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:৩৩

ধর্ম ত্যাগ করে পর্নস্টার হলেন আফগান তরুণী

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে তাঁর জন্ম৷ সেসময় দেশের বেশিরভাগ স্থানেই তালিবানি সন্ত্রাস কায়েম ছিল৷ যদিও পরে তিনি ৯বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে আসেন ৷  পর্ণছবিতে কাজ করতে এসে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইয়াসমিনা আলি। 

ইয়াসমিনা আলি। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে তাঁর জন্ম৷ সেসময় দেশের বেশিরভাগ স্থানেই তালিবানি সন্ত্রাস কায়েম ছিল৷ যদিও পরে তিনি ৯বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে আসেন ৷  কিছুদিন আগে তাকে নিয়ে কোন চর্চায় ছিল না। তবে এই সময়ে এসে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন তিনি। তবে সবার কাছে নন। যারা পর্নো ছবি দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য বেশ পরিচিত মুখ এই ইয়াসমিনা আলি।

বিস্ময়কর তথ্য হলো, পর্ন তারকা হওয়ার আগে তিনি ছিলেন একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে ছিল তার জন্ম। যদিও পরে নয় বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে আসেন তিনি। এরপর মুসলিম ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম অনুপ্রাণিত হয়ে যোগ দেন পর্ন তারকা হিসেবে।

এদিকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম নিয়ে কটাক্ষ করে এক সংবাদ সম্মেলনে ইয়াসমিন বলেন, ইসলাম এবং তার কালো অধ্যায়ের বিষয়ে অনেক কিছু জানা আমার। পোশাকের ওপর কড়াকড়ি রয়েছে এতে। নিয়ম ভঙ্গ করলে শারীরিক দণ্ডও দেয়া হয় এই ধর্মে। জোর করে বিয়েও দেয়া হয় বলে জানান তিনি। 

ইয়াসমিন আলি আরো জানান, তার বাবা-মা তাকে জানিয়েছেন, যে কোনো কিছুর উর্ধে ইসলাম। এমনকি মা-বাবা এবং সন্তানের মধ্যে ভালোবাসার থেকেও এর মূল্য অনেক বেশি। তাই ধর্মের প্রতি সম্মান জানিয়ে তার বাবা-মা কেমন পোশাক পরা উচিত, সে বিষয়ে অনেক বিধি নিষেধ দিয়েছিলেন তাকে। এমনকি স্বর্গে যেতে কী কী কাজ করতে হবে, তা বারবার স্মরণ করে দিতেন।

এমনকি প্রতিটি আধুনিক বিষয়কে ঘৃণার চোখে দেখতে শিখিয়েছেন তার বাবা-মা। সভ্য এবং ধর্মনিরপেক্ষ পরিস্থিতিকেও ঘৃণার চোখে দেখাতে শেখান তারা। এমনকি পর্দা পোশাক-আশাক কেমন করতে হবে, যে বিষয়েও অনেক জোর দিতেন বাবা-মা।  

এদিকে তার এই বক্তব্যের পর ইয়াসমিনাকে নিয়ে তুমুল আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এরপর থেকে অনেক আন্তর্জাতিক পত্রিকায় তার নাম খবরের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।