বিনোদন ডেস্ক ।।
তার পুরো নাম অর্চিতা স্পর্শিয়া। সু সময় যেন এখন তার চারিপাশে ঘুরছে। বছর দুয়েক আগে বলেছিলেন, তিনি আর ছোট পর্দায় অভিনয় করবেন না। শুনে তার ভক্ত অনেকেই চমকে গিয়েছিলেন তার মতো এত পরিচিত মুখ টেলিভিশনে না দেখা গেলে ব্যাপারটা কেমন হয়!
অনেকেই বলেছে, স্পর্শিয়া বুঝি আর শোবিজেই থাকবে না! আসল ঘটনা এমন কিছুই ছিল না।
তিনি আসলে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আগামীতে বড় পর্দায় কাজের। এবং হোলও তাই, বর্তমান সময়ে স্পর্শিয়া একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। চলতি বছর ‘আরার বসন্ত’ নামে তার প্রথম সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।
সম্প্রতি দেশের এই প্রিয়মুখ কলকাতায় একটানা ১২ দিন কাজ করে শেষ করলেন ওয়েব সিরিজ ‘নো কাপল এন্টি’। পাশাপাশি ঢাকসহ সারাদেশে একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’ নামের এই সময়ের আলোচিত সিনেমা এবং ১১তম আন্তর্জাতিক মাসকট চলচ্চিত্র উৎসবে যাচ্ছে এই অভিনয় শিল্পীর অভিনীত দুটি সিনেমা। আরও আছে আগামী মাসে মুক্তি পাবে তার অভিনীত কাঠবিড়ালি চলচ্চিত্র- পরিষ্কার বোঝাই যাচ্ছে ক্যারিয়ারে কোন অবস্থানে আছে স্পর্শিয়া! তার কাজ নিয়ে আলাপকালে তিনি জানিয়েছেন নিজের ব্যক্তিগত অভিমত।
শুরুতে স্পর্শিয়ার ওয়েব সিরিজ ‘নো কাপল এন্ট্রি ’ এর অভিজ্ঞতা এবং গল্প সম্পর্কে বলেন বর্তমান সময়ে ওয়েবের জন্য ভাল ভাল কাজ হচ্ছে। মানুষ এখন নিজেদের সময় এবং প্রয়োজনে বিনোদিত হয় সুতরাং ওয়েব ইজ মাস্ট।
ওয়েব সিরিজ ‘নো কাপল এন্ট্রি’র গল্প নিয়ে তিনি বলেন গল্পটা ভীষণ সুইট! মিস মিলি ( আফসানা মিমি ) একটি ক্যাফে শপের মালিক। যে কি না তার রেস্তরাঁয় কোন কাপলকে প্রবেশ করতে দেন না। যারাই আসেন তারাই আলাদা আলাদা বসেন। ওই রেস্তরাঁয় আমি প্রায়ই যাই অতপর একজনের সঙ্গে আমার সৌজন্যের সম্পর্ক তৈরি হয়, যে সম্পর্ক পরবর্তীতে অন্য সম্পর্কে রূপ নেয়।
মিস মিলির রেস্তরাঁয় কেন এই নিয়ম! এমন মিষ্ট মধুর গল্পে এগোতে থাকে চার পর্বের এই ওয়েব সিরিজ।
মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’ এখন অব্দি ২৫টি চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়েছে এবং একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।
এই চলচ্চিত্র সম্পর্কে স্পর্শিয়া জানান ‘ইতি, তোমরই ঢাকা’ সম সাময়িক বাস্তবতার অন্য ধাঁচের সিনেমা। আমি শুধু বলবো, দর্শকদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে। এই সিনেমার বিশেষ দিক হলো ভিন্ন ভিন্ন গল্পের আলাদা আলাদা পরিচালক এবং সবগুলো গল্পই ঢাকাকে কেন্দ্র করে। সত্যিই একটি চমৎকার উদ্যোগ।
স্পর্শিয়া আসলে এই স্বপ্নের দিনগুলোর জন্য দীর্ঘদিন অর্থকষ্টে থেকেও সিনেমার বাইরে নিজেকে কল্পনা করেনি। কারণ তিনি জানতেন তাকে সিনেমার নায়িকা হতেই হবে। এই আত্মবিশ্বাসই তাকে এখানে নিয়ে এসেছে। এবং আজকের এই সু দিনের হাওয়ায় তিনি পাখা মেলে উড়ছেন, আপন মনে।






















