স্পোর্টস ডেস্ক
ভারতকে নাজেহাল করে ছাড়লেন অস্ট্রেলিয়ার দুই পেসার প্যাট কামিনস ও জশ হ্যাজলউড। ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৩৬ রানে শেষ হয়ে গেছে ভারতের ইনিংস। অ্যাডিলেড টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে, ম্যাচ জিততে তাদের প্রয়োজন মাত্র ৯০ রান।
শুক্রবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিন ভারতীয় বোলারদের আক্রমণে দলগতভাবে ২০০ রানও করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া, অলআউট হয় ১৯১ রানে। নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৪৪ রান করার সুবাদে ৫৩ রানের লিড পায় ভারত। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ছেলেখেলাই করল অস্ট্রেলিয়ার পেসাররা।
দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ রান তুলতেই ১ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। আজ শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ভারতকে অলআউট করতে দেড় ঘণ্টাও নেয়নি অস্ট্রেলিয়া। কামিনস ও হ্যাজলউডের নিখুঁত লাইন-লেন্থের সামনে কোনও জবাবই খুঁজে পাননি চেতেশ্বর পুজারা-বিরাট কোহলিরা।
হাতে ব্যথা পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছেন ভারতের শেষ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শামি। ফলে কার্যত তাদের ১০ উইকেটের পতন ঘটেনি। তবে ৩৬ রানেই শেষ হয়েছে তাদের ইনিংস। যা কি না টেস্ট ইতিহাসের পঞ্চম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ এবং চলতি দশকে এর চেয়ে কম রানে থামেনি আর কোনও দলের ইনিংস।
প্রতিপক্ষকে ৩৬ রানে গুটিয়ে দেয়ার পথে সবচেয়ে বড় আঘাতটা হেনেছেন ২৯ বছর বয়সী ডানহাতি পেসার হ্যাজলউড। মাত্র ৪ রানে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের অষ্টম ফাইফার। শেষপর্যন্ত তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৫-৩-৮-৫। অন্যদিকে কামিনসের বলেই হাতে ব্যথা পেয়ে মাঠ ছাড়েন শামি। ফলে হয়নি কামিনসের ফাইফার। তার বোলিং ফিগার ১০.২-৪-২১-৪!
এর আগে ১৯২৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন লজ্জায় পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ
১/ নিউজিল্যান্ড ২৬/১০ - প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (১৯৫৫)
২/ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০/১০ - প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (১৮৯৬)
৩/ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০/১০ - প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (১৯২৪)
৪/ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫/১০ - প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (১৮৯৯)
৫/ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬/১০ - প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া (১৯৩২)
৬/ ভারত ৩৬/১০ - প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া (২০২০)






















