স্পোর্টস ডেস্ক: সুন্দর আর নান্দনিক ফুটবল খেলে সার্বিয়ার বিপক্ষে জিতেছে ব্রাজিল। দুর্দান্ত এই জয়ের পর সেলেসাওদের নিয়ে প্রত্যাশার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। বিশ্বকাপ ফুটবলের সবচেয়ে সফল দলকে নিয়ে এমন প্রত্যাশা স্বাভাবিক। প্রতি বিশ্বকাপে একই প্রত্যাশা আর স্বপ্নের জাল বুনতে শুরু করেন ব্রাজিল সমর্থকেরা। এবার শুরুতেই সেই পালে জোর হাওয়া দিয়েছে সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ফল।
‘জি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ রাত ১০টায় বিশ্বকাপের আইকনিক ৯৭৪ স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। ব্রাজিল নেইমারকে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তো পাচ্ছেই না, তিনি নেই ক্যামেরুন-ম্যাচেও। সেলেসাওদের জন্য এটি অবশ্য অনেক বড় ধাক্কা। এ ধাক্কা কাটিয়ে জয়ের ধারা ধরে রাখতে সবার আগে পূরণ করতে হবে নেইমারের ঘাটতি।
দুই দলের লড়াইয়ের আগে দেখে নিন কিছু পরিসংখ্যান...
১. বিশ্বকাপে এ নিয়ে তৃতীয়বার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ড। দুই দলের সবশেষ দেখা ২০১৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। রাশিয়া আসরের ওই ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়েছিল। ১৯৫০ বিশ্বকাপে তারা করেছিল ২-২ ড্র।
২. একমাত্র দল হিসেবে ১৯৩০ সালে শুরু হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে খেলছে ব্রাজিল। মোট সাতবার ফাইনাল খেলেছে দলটি, সর্বশেষ ২০০২ সালে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের আসরে জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের পঞ্চম ও শেষ শিরোপা ঘরে তুলেছিল তারা।
৩. সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সব মিলিয়ে ৯টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। যার মধ্যে তিনটিতে জয় তাদের, দুটি জিতেছে সুইসরা। আর বাকি চারটি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
৪. বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে কাতার বিশ্বকাপের টিকেট নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লাতিন আমেরিকার দলটি শিরোপা জিতেছে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে। এবারের আসরেও ফেভারিট দলগুলোর একটি তারা।
৫. সুইজারল্যান্ডও বাছাই পর্বে নিজেদের গ্রুপে অপরাজিত ছিল। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে নিয়ে গড়া গ্রুপের সেরা হয়ে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকেট পায় তারা।
৬. সবশেষ চার বিশ্বকাপের তিনটিতেই (২০০৬, ২০১৪ ও ২০১৮ আসরে) শেষ ষোলোয় খেলেছে সুইজারল্যান্ড। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রুপপর্বেই শেষ হয়ে যায় তাদের পথচলা।
আমাদের কাগজ//টিএ






















