খেলাধুলা ২৯ অক্টোবর, ২০২৩ ০৬:১৭

একদমই অপ্রত্যাশিত, অগ্রহণযোগ্য : বিসিবি সভাপতি

স্পোর্টস ডেস্ক : বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নিজের নির্বাচনী এলাকায় ব্যস্ত থাকায় বিশ্বকাপের প্রথম পাঁচ ম্যাচ স্টেডিয়ামে বসে দেখতে পারেননি। টিভির পর্দায় দেখেছেন ক্রিকেটারদের একের পর এক আত্মসমর্পণ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর যেভাবে ক্রিকেটাররা পথ ভুলেছেন মানতে পারছেন না তিনি। ব্যাটসম্যানদের একের পর এক আউট তার কষ্ট বাড়িয়েছে। বোলারদের ব্যর্থতা তা দ্বিগুণ করেছে। শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৮৭ রানের হার তাকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছে। যে হার তার কাছে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, অপ্রত্যাশিত।

ইডেনে ম্যাচের শুরু থেকে মাঠে থাকলেও পুরো খেলা না দেখেই ফিরে যান। রোববার ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলাদা করে বসেছিলেন তিনি। জানতে চেয়েছেন কোথায় ঘাটতি। কোনো সমস্যা হচ্ছে। কেন পারফরম্যান্স বের হয়ে আসছে না। ক্রিকেটাররা কোনো অভিযোগ করেননি তার কাছে। বরং সব দায় নিজেদের ওপর নিয়েছে বলেই খবর।

কালকের ম্যাচটি দেখার পর যা হলো, এটা পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত। এটা চিন্তা করা তো দূরে থাক, মেনে নেওয়া দূরে থাক, আমরা ভাবতেই পারি না যে, এতদিন ধরে এই অবস্থা হতে পারে। কিন্তু হলো তো! এজন্য আজকে ঠিক করলাম, আলাদা করে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বসব। কয়েকজনের সঙ্গে এর মধ্যেই কথা বলেছি। ওদের সঙ্গে বসে জানতে চেয়েছি যে সমস্যা আছে কি না, ঘাটতি আছে কি না, ওদের চাওয়া আছে কি না, যেটা আমরা দিতে পারি, কোনো কিছুর অভাব আছে কি না। এসব জানতে চেয়েছি।

নাজমুল হাসান যোগ করেন, ‘আমার আসলে এখানটায় আসার পেছনে কারণ একটিই ছিল। পরপর চারটি ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর আমার মনে হয়েছে, যদিও দলগুলি শক্তিশালি ছিল… তার পরও মনে হয়েছে, ওদের মনোবল চাঙা করা যায় কি না। কারণ, আমার কাছে মনে হয়েছে, ওরা মানসিকভাবে একটু ডাউন। ওদেরকে কিছু করা যায় কি না। আমি পরশু দিন এসে ৫-১০ মিনিট বসেছিলাম, গোটা দলের সঙ্গে কোচিং স্টাফসহ। বলেছি যে তোমাদের প্রত্যেকের ওপর বিশ্বাস আমার আছে।

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণে দলগত সাফল্য ধরা পড়ছে না বলে বিশ্বাস করেন নাজমুল হাসান, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমাদের প্রথম দিকের চার-পাঁচজনই রান পাচ্ছে না। যেটা আগে কখনও আমরা বাংলাদেশ দলে তো দেখিইনি, আমি কোনো দলেই দেখিনি। এই ধরনের একটি টুর্নামেন্ট খেলতে আসা কোনো দলেই দেখিনি। এটা অপ্রত্যাশিত একদমই।


আমাদেরকাগজ / এইচকে