অপরাধ ও দুর্নীতি ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:৩৭

পর্নগ্রাফিতে আসক্ত ছেলের হাতে ধর্ষণের শিকার মা

ডেস্ক রিপোর্ট।। 

এবার নিজের মাকেই ধষর্ণ করলো পর্নগ্রাফিতে আসক্ত ছেলে। মায়ের গলায় কাপড় গুঁজে দিয়ে মাকে ধষর্ণ করেছে- ঘটনাটি ঘটে ভারতের জরাতের পাটান শহরের জল চক এলাকায়।

 মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ২২ বছরের যুবক রোহন কে  সোমবার গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানাচ্ছে,শনিবার রাত ১টা নাগাদ মা যখন তাঁর ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন, তখনই জল খাওয়ার নাম করে তাঁর ঘরে ঢোকে রোহন। তার পর আচমকাই সে ঝাঁপিয়ে পড়ে মায়ের উপর। মা যাতে চেঁচামেচি করতে না পারেন, তার জন্য মায়ের মুখে কাপড় গুঁজে দেয় রোহন। তার পর সে মাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

পুলিশ বলছে, রোহনের ৪৬ বছর বয়সী মা চেঁচামেচি করে লোকজন ডাকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রায় রোজই মা-ছেলের মধ্যে চেঁচামেচি হয় বলে কেউই আর ঘর থেকে বেরিয়ে আসেননি।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফিক ছবি দেখত রোহন। এমনকী, মা আর ২০ বছর বয়সী বোনের সামনেও পর্নোগ্রাফির ভিডিও দেখত রোহন। মহিলা পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে জানিয়েছেন, এর আগেও রোহন তাঁকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনার পর মানসিক ভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন রোহনের মা। পরে তা কাটিয়ে তিনি তাঁর স্বামীকে সব ঘটনা জানান। স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি। তার পর তাঁরা আমদাবাদে থাকা বড় ছেলের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর মহিলা লিখিত অভিযোগ করেন পুলিশের কাছে।

পাটান বি ডিভিশন পুলিশ স্টেশনের সাব-ইন্সপেক্টর আর এম রবারি বলেছেন, ‘রোহনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত আর তার মা, দু’জনেরই মেডিক্যাল পরীক্ষা করব। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এবং ৫০৪ ধারা অনুযায়ী, রোহনের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে ধর্ষণের মামলা।’

 
লেজের কর্মকর্তাদের যৌন সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে মিলবে অর্থ। সেই সঙ্গে পাওয়া যাবে অ্যাকাডেমিক সনদও। স্নাতক পড়ুয়া চার শিক্ষার্থীকে এমন প্রস্তাব দিয়েছিলেন তামিলনাড়ুর একটি কলেজের একজন শিক্ষিকা। স্থানীয় সময় সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই শিক্ষিকার কথোপকথোনের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এর পরই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে জানায় রাজ্যের বিরুদ্ধনগর শহরের দেভাঙ্গা আর্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার নাম নির্মলা দেবী। তিনি এক দশক ধরে ওই কলেজে গণিতের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ফাঁস হওয়া ওই অডিও ক্লিপে কলেজ কর্মকর্তাদের শারীরিক সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের অর্থের-ডিগ্রির প্রতিশ্রুতি দিতে শোনা গেছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিষয়টি চেপে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই অডিও ক্লিপের জের ধরে শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে গত মাসে ওই শিক্ষিকাকে বহিষ্কার করা হয়। পরে কলেজ ও স্থানীয় একটি নারী সমিতির পক্ষ থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা করে পুলিশ। তামিলনাড়ু রাজ্যের মৎস্যবিষয়ক মন্ত্রী ডি জয়াকুমার সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের অপরাধীদের কখনোই বরদাস্ত করা হবে না এবং তার বিরুদ্ধে সরকার অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক দল ডিএমকে প্রধান স্টালিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে বলেন, একজন শিক্ষক যিনি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তিনি শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। তাই এর তদন্তভার গোয়েন্দাদের ওপর দেওয়া উচিত।