নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু সাবেক একজন উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েও এখন উবার চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। চট্টগ্রামে অ্যাপস ভিত্তিক পাঠাও, উবার, ওভাই ও সহজে মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করে চলছেন চট্টগ্রাম সিটির অলিগলিতে। কিন্তু এই সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানা যায়।
এই সংবাদটি দেখে আমাদের কাগজ অনুসন্ধান চালালে বেরিয়ে আসে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার পাঠাও-উবারে মোটরসাইকেল চালানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ ভূয়া।
জানা যায়, রাজু বর্তমানে সে ২৫/৩০ হাজার টাকার বাসায় ভাড়া থাকেন চট্টগ্রামের চাঁদগাও এর ১২ নম্বর রোডে। তার বাবা সাবেক সাংসদ জনাব মাহমুদুল করিম চৌধুরী। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সম্পত্তির ১০০ কানির উপর। ৩০ একরের সরকারি লিজে চলছে লবণের প্রজেক্ট। ৩০ একর সরকারি লিজের জমিতে চলছে চিংড়ি প্রজেক্ট।
তিনি বর্তমানে পেকুয়া উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক। কক্সবাজার সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান লুতু মিয়ার আপনা ভাগিনা এই রাজু, লুতুমিয়ার এক ছেলে মানে রাজুর কাজিন বর্তমানে আওয়ামী লীগ/যুবলীগের নেতা তবে লুতুমিয়া জাতীয় পার্টি করতো। এই লুতু মিয়া রাজুর মা'কে ১৬ কানি সম্পত্তি দেন অর্থাৎ নানার বংশ থেকে সে পায়।
রাজুর আপন খালার জামাই মানে খালু মহেশখালীর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকি যিনি অনেল সম্পত্তির মালিক ও রাজুর সাথে ব্যবসা পার্টনার। তিনি যখন উপজেলা চেয়ারম্যান তখন তার এমপি ছিল তার নেতা খালেদা জিয়ার এ পি এস সালাউদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমদ ও পরের বার এমপি ছিল জাতীয় পার্টির ইলিয়াস। সে সময় তিনি অনেক টাকার মালিক বনে যায় যদিও পারিবারিক ভাবেও অনেক সম্পত্তির মালিক তিনি।
স্থানীয়রা বলেছেন, কেবল মাত্র সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য সে উবার পাঠাও রাইড শেয়ারের নাটক করছে যা হাজার বেকার যুবকদের সাথে মশকরা ছাড়া আর কিছুই না। আর পাঠাও উবার কর্তৃপক্ষও তাদের ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য রজুর এই ভন্ডামিকে ক্যাশ করছে।






















