অপরাধ ও দুর্নীতি ৮ জুন, ২০২৩ ০৯:২১

রাজধানীতে নারীর মৃতদেহ উদ্ধার, চতুর্থ স্বামী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর তুরাগের ভাড়া বাসার মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় ফাতেমা আক্তার (৩৩) নামের এক নারীর বিবস্ত্র মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ । মঙ্গলবার, ৬ জুন মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার, ৮ জুন সকালে চতুর্থ স্বামী সাইফুল ইসলাম রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মওদুত হাওলাদার বলেন, তুরাগে বাউনিয়া এলাকা থেকে ফাতেমা আক্তার নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বসুন্ধরা থেকে তার চতুর্থ স্বামী সাইফুল ইসলাম রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তুরাগের বাউনিয়া পশ্চিম মইশাগার এলাকার হায়দারের ভাড়া বাসা থেকে মঙ্গলবার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে মরদেহের সন্ধান পায় পুলিশ। পরে থানা পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের পর দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওই নারী রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা পশ্চিম পাড়ার মো. মুক্ত মিয়ার মেয়ে। বাউনিয়ার বাসাটিতে তিনি একাই থাকতেন। তবে তার স্বামী যাতায়াত করতেন।

ওসি মওদুত হাওলাদার বলেন, ফাতেমা আক্তারকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে ওই দিনই একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তার চতুর্থ স্বামী সাইফুল ইসলামকে আসামী করা হয়। এছাড়াও ফাতেমাকে ভরণপোষণ না দেওয়ায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ওসি মওদুত বলেন, গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম রানাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আগামীকাল (শুক্রবার) আদালতে পাঠানো হবে।

স্থানীয়রা জানায়, দরজার নিচ থেকে রক্ত রুমের বাহিরে চলে আসে। রুমের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ পরে থাকতে দেখে পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির কেয়ারটেকার মো. আলাল দেওয়ানকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা আরও জানায়, দুই মাস আগে বাসাটি ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন ফাতেমা ও তার স্বামী। তবে তার স্বামী নিয়মিত থাকতেন না। তবে আসা যাওয়া করতেন। যার কারণে অনেকেই ফাতেমার স্বামীকে ভালো করে চিনেনও না। তাদের কোনো সন্তানও ছিল না।

আমাদেরকাগজ / এইচকে