ডেস্ক রিপোর্ট ।।
পর পর তিনটির বেশি সভায় অনুপস্থিত থাকায় ৩৫ কাউন্সিলরের নামের তালিকা প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এর আগে ২১ কাউন্সিলরকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছিলো। তাদের মধ্যে ১৯ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আর দু'জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ছিলেন। সে সময় তাদেরকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে চিঠির জবাব দিতে বলা হয়।
এবারের তালিকায় নাম আসা ৩৫ ব্যক্তি হলেন- মোঃ মাকসুদ হোসেন মহসিন, মোঃ গোলাম হোসেন, মোঃ আশরাফুজ্জামান আব্দুল বাসিত খান, গোলাম আশরাফ তালুকদার, মোস্তবা জামান, মোহাম্মদ সেলিম, জসিম উদ্দিন আহমেদ, মোঃ তারিকুল ইসলাম সজীব, মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ বাদল, মোহাম্মদ হাসান, রফিকুল ইসলাম রাসেল, মোহাম্মদ বিল্লাল শাহ, মোঃ আউয়াল হোসেন, ময়নুল হক মঞ্জু, মকবুল ইসলাম খান টিপু, সরোয়ার হাসান (আলো), মোঃ আরিফ হোসেন, মোহাম্মদ নাছিম মিয়া, রাশিদা পারভীন মনি, মোছাঃ শিউলী হোসেন, বেগম মেহেরুন্নেসা হক, খালেদা বাহার বিউটি, আলেয়া সারোয়ার ডেইজী, ইলোরা পারভীন, কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক, আব্দুর রউফ, মোঃ রজ্জব হোসেন, মোহাম্মদ নাছির, শেখ মজিবুর রহমান, শামীম হাসান, মোঃ নূরুল ইসলাম রতন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, তৈমুর রেজা এবং মোতালেব মিয়া।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো মেয়র অথবা কাউন্সিলর পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাকে অপসারণ করা যাবে।
দক্ষিণ সিটির কর্মকর্তারা জানান, কাউন্সিলররা নির্বাচত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ২০টি সভা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু ১৫টি সভাতেই অনুপস্থিত ছিলেন। ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. হাসান ছিলেন না ১৪টি সভায়।
১২টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদার এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোস্তবা জামান।
১১টি সভায় অনুপস্থিত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারিকুল ইসলাম সজীব এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিল্লাল শাহ। ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আশ্রাফুজ্জামান ১০টি সভায় অংশ নেননি। এছাড়া ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আরিফ হোসেন ৯টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম রাসেল এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জসীম উদ্দিন আহমেদ ৮টি করে সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাম হোসেন, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মকবুল হোসেন টিপু, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের সারোয়ার হাসান আলো ছয়টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুল বাসিত খান পাঁচটি সভায়, ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নাছিম মিয়া পাঁচটি সভায়, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আউয়াল হোসেন ৪টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
১৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর রাশিদা পারভীন মনি ১২টি এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোসা. শিউলী হোসেন নয়টি সভায় অংশ নেননি।






















