ডেস্ক রিপোর্ট
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার সর্বশেষ গ্রেপ্তার দুই আসামি তারেকুল ইসলাম তারেক ও মাহফুজুর রহমান মাসুমেরও ডিএনএ পরীক্ষা হচ্ছে। এজন্য আজ শনিবার দুপুরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) জ্যোতির্ময় সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই মামলায় গ্রেফতার ৮ আসামির ডিএনএ পরীক্ষা হবে। বৃহস্পতিবার (১লা সেপ্টম্বর) ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। আজ শনিবার বাকি দু'জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলো।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আসামি তারেক ও মাসুমকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিচ তলার ওসিসিতে নেওয়ার পর ওসমানী হাসপাতালের ল্যাবের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেন।
এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় তারেক ও মাসুমকে আবার পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। আদালতের নির্দেশে এই দু'জন বর্তমানে পাঁচদিনের রিমান্ডে রয়েছে। আগামীকাল রোববার তাদের রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতি। এ সময় ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন যুবক জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে তারা।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করেন তরুণীর স্বামী। যে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয় তারা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত- সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম।






















