আমাদের কাগজ, অর্থ সংবাদঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দাম কমছে। এসময় অন্যান্য প্রধান মুদ্রার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের দাম ব্যাপক কমেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৮ মাসের মধ্যে যা সর্বনিম্ন। দেশটির শ্লথ অর্থনীতি মন্দার আশঙ্কা জাগিয়েছে৷ এতে মার্কিন মুদ্রার মূল্য হ্রাস পেয়েছে।এদিনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) ডলার সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে। গত এপ্রিলের শেষ দিকের পর যা সবচেয়ে কম বলে জানা যায়।
তবে এদিন অর্থনৈতিক অবকাঠামো প্রকাশ করবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। যার উপর ভিত্তি করবে সুদের হারও। জানা যায়, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি বৈঠক করবেন ফেডের নীতি-নির্ধারকরা। সেখানেই এই ঘোষণা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আপাতত বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকছেন সেদিকে ই।
ডলার অনুপাত বিশ্লেষণ তুলে আনা হলো:
ডলারের বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিংয়ের দাম বেড়েছে শূন্য দশমিক ১২ শতাংশ। প্রতি স্টার্লিং বিক্রি হয়েছে ১ দশমিক ২৪১৫ ডলারে। প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মুদ্রা ইউরোর মূল্র বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ০৫ শতাংশ। প্রতি ইউরো বিকিয়েছে ১ দশমিক ০৯২০ ডলারে। গত ৯ মাসের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
জাপানি ইয়েনের মান ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। এক ডলারের দর স্থির হয়েছে ১২৯ দশমিক ২১ ইয়েনে।
অর্থনীতিবিদ ওয়েলস ফার্গো বলেন, এবার ফেড সুদের হার বেশি বাড়াবে না বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইউএস অর্থনীতি ধীর রয়েছে। ফলে আমরা মনে করছি, অন্যান্য মুদ্রার বিরুদ্ধে শক্তি হারাচ্ছে ডলার। সব বিদেশি কারেন্সির বিরুদ্ধে অবমূল্যায়নের পথে তাক করছে এটি।
আমাদের কাগজ/এমটি






















