লাইফস্টাইল ডেস্ক: বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধঁতে শুরু করে আমাদের শরীরে। তবে ডায়াবেটিস বেড়েই চলেছে দিন দিন। সম্পূর্ণ কখনই সারে না ডায়াবেটিস, তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা মেনে চললে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
চলুন তাহলে জেনে নিই যেসব খাবার বাদ দেবেন-
হোয়াইট গ্রেইন
সাদা পাউরুটি, পাস্তা এবং ভাত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটের উদাহরণ। এগুলো প্রক্রিয়াকরণের সময় ফাইবার অপসারিত হয়। ফলে এই খাবারগুলো সরাসরি আপনার ব্লাড সুগার লেভেলকে প্রভাবিত করতে পারে।
মিষ্টিজাতীয় পানীয়
মিষ্টি পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। এই ধরনের পানীয়গুলোতে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি থাকে, পাশাপাশি কোনও প্রোটিন, চর্বি বা ফাইবার থাকে না।
ফ্লেভারড দই
সাধারণ দই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই ভাল। তবে বিভিন্ন ফ্লেভারের দই কিন্তু একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। ফ্লেভারের দই সাধারণত নন-ফ্যাট বা লো-ফ্যাট দুধ দিয়ে তৈরি করা হয় এবং এতে কার্বোহাইড্রেট ও চিনির মাত্রা বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।
মিষ্টি ব্রেকফাস্ট
ডায়াবেটিস রোগীরা কখনই ব্রেকফাস্টে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাবেন না। এতে অনেক বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা সরাসরি চিনিতে রূপান্তরিত হয়। তাছাড়া বেশি আলু খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। আলু উচ্চ জিআই বিভাগের সদস্য। এক ক্যান সোডা যেমন ব্লাড সুগার লেভেল বাড়ায়, তেমনই এক কাপ আলুও রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
ওট মিল্ক
ওট মিল্কে মল্টোজ নামক একটি নির্দিষ্ট ধরণের চিনি থাকে, এটিতে উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে। অন্যান্য ধরণের কার্বোহাইড্রেটের থেকে, মল্টোজ দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।
ফল
ডুমুর, আঙুর, আম, চেরি এবং কলায় কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্রুক্টোজ নামক প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যার ফলে এই ফলগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এই ফলগুলো একেবারেই ভালো নয়। তাই এগুলো খুব কম খান অথবা না খাওয়াই ভালো।
আমাদের কাগজ//জেডআই






















