শিক্ষা ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ ১১:৫৮

৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময় বৃদ্ধির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি করার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা

একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অতি দ্রুত সময়ে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানানো হয় এ দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে স্মারকলিপি প্রদান করেন মানববন্ধনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থীরা ৪৩তম বিসিএস পাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু আবেদনের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি হওয়ায় তারা অংশগ্রহণ করতে পারছেন না

তাদের যুক্তি হলো, যদি ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থীরা ৪৩ তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করতে না পারে তাহলে তাদের জীবন থেকে এক বা দেড় বছর চলে যাবে কেননা ৪৪তম বিবিএসের সার্কুলার ২০২২ সালের আগে হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ তাই ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থীরা ৪৩তম বিসিএসে অংশগ্রহণ করতে শিক্ষার্থীরা এই দাবি জানিয়েছেন

স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, যেখানে ৪০তম বিসিএসের লিখিত ও ৪১তম বিসিএসের প্রিলিই হয়নি, আর ৪৩তম বিসিএস এর জন্য নতুন কোনো ব্যাচের ফাইনাল পরীক্ষাই হয়নি সেখানে ৪৩তম এর আবেদনের শেষ সময় জানুয়ারিতে রাখার কোনো মানে হয় না

অবিলম্বে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ইনকোর্স পরীক্ষাসহ সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা এবং বিসিএস সহ সকল ধরনের চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আন্দোলনকারীরা

মানববন্ধনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী স্নিগ্ধা দেবনাথ বলেন, চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা যাদের হয়ে গেছে, তারা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছেন কিন্তু করোনার কারণে আমরা অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শেষ করতে পারিনি যার কারণে আমরা ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষাটি ধরতে পারছি না এটি নিয়ে আমরা খুবই হতাশায় ভুগছি, প্রশাসন যদি আমাদের এই বিষয়টি মানবিকভাবে দেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা নেয় এবং সরকারও যদি বিসিএস পরীক্ষার আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি করে, তাহলে হতাশার জায়গাটি কাটিয়ে উঠতে পারবো

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাবেদ কায়সার বলেন, পিএসসির প্রতি আমাদের অনুরোধ, পরীক্ষার আবেদনের সময় ৩১ জানুয়ারি থেকে ন্যূনতম ছয় মাস থেকে সাত মাস বৃদ্ধি করা হোক