নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল শনিবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তন। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সমাবর্তনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তবে এত উৎসাহ-উদ্দীপনার কতটুকু সার্থক হতে চলেছে সেটাই দেখার বিষয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তনে স্বর্ণপদক দেওয়া হবে ১৭১টি। তবে স্বর্ণপদকগুলো তৈরি পর এর মধ্য থেকে ৩৫টির পরীক্ষা করালে অধিকাংশের ওজনের মধ্যে গরমিল পাওয়া গেছে। এই গরমিলের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে। তবে তা সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন উপলক্ষে দাদা মেটাল প্রসেস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১৭১টি স্বর্ণপদক তৈরি ও সরবরাহের অর্ডার দেওয়া হয়। এসব স্বর্ণপদকে স্বর্ণের ওজন সাড়ে চার গ্রাম করে থাকবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। ওই স্বর্ণপদক তৈরির পর সেগুলোর মধ্য থেকে ৩৫টি স্বর্ণপদকের স্বর্ণের ওজন ও খাঁটিত্ব (ক্যারেট) পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে পাঠানো হলে পরীক্ষার পর ৩৩টি স্বর্ণপদকে গরমিল পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ৩৫টির মধ্যে মাত্র দুইটি স্বর্ণপদকের সঠিক ওজন পাওয়া গেছে। তবে ২১টিতে চার গ্রামের কম-বেশি এবং বাকিগুলোতে তিন গ্রামের কম স্বর্ণ ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস ছামাদকে আহ্বায়ক করে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে গেলে তারা এই চিত্র দেখতে পান।
এ বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, ‘আমরা ৩৫টি স্বর্ণপদক পরীক্ষার জন্য পরমাণু শক্তি কমিশনে যাই। কিন্তু পরীক্ষার পর আমরা টুকটাক কিছু গরমিল পাই। তবে এটি ব্যালেন্স হয়ে যাবে।’
এদিকে, স্বর্ণপদকের দায়িত্বে থাকা দাদা মেটাল প্রসেসের দায়িত্বরত শ্যামল বলেন, মূলত আমাদের কম সময় দেওয়ার কারণে এই সমস্যা হয়েছে। ‘আমাদেরকে গত ১৩ তারিখে অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এত কম সময়ের মধ্যে ১৭১টি স্বর্ণপদক কেউ তৈরি করে দিতে পারবে না। বাংলাদেশে এমন কারো জন্ম হয়নি যারা তিন দিনে ১৭১টি স্বর্ণপদক তৈরি করে দিতে পারবে। ।’
আমাদেরকাগজ/এইচএম






















