আমাদের কাগজ রিপোর্ট: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের আলোচিত ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে ৪ মাসের মধ্যে তদন্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৪ ডিসেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে এ বিষয়ে তদন্ত করে ৫ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। স্বতঃপ্রণোদিত রুল দিয়ে হাইকোর্ট ৩টি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতে ঋণ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের নাম ও ঠিকানার তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি ওইসব ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।
এর আগে গত ২৭ নভেম্বর গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণের বিষয় উঠে আসে। বিষয়টি তদন্ত চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দেওয়া হয়। ব্যাংকটির পাঁচজন গ্রাহকের পক্ষে ওই চিঠি দেওয়া হয়। তারা হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ ও আব্দুল্লাহ সাদিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি, এলএলএম বিভাগের শিক্ষার্থী শাইখুল ইসলাম ইমরান ও যায়েদ বিন আমজাদ ।
আমাদের কাগজ/টিআর






















