ডেস্ক রিপোর্টঃ বাংলাদেশে অবস্থান করা জাপানি দুই শিশুর মধ্যে ছোট মেয়ে নাকানো লায়লা লিনা (৯)। সম্প্রতি,পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাপানি দুই শিশুর মধ্যে ছোট শিশু লায়লা লিনা বাবার কাছে একদিন ও মায়ের কাছে একদিন করে থাকবে। অপরদিকে পারিবারিক আদালতের দেওয়া রায় মোতাবেক বড় মেয়ে মায়ের হেফাজতেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
মা জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকোর সঙ্গে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইমরান শরীফের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২০ সালের শুরুতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন এরিকো। ১২ বছরের সংসারে তাদের তিন সন্তানের জন্ম হয়। ইমরান স্কুলপড়ুয়া বড় দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। ছোট মেয়ে জাপানে এরিকোর সঙ্গে থেকে যান।
গত ২৯ জানুয়ারি রায় ঘোষণার পর ছোট মেয়েকে নিজ জিম্মায় পেতে মা নাকানো এরিকোর করা গুলশান থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) বিষয়ে শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।এ দিন মা নাকানো এরিকোর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির শুনানি করেন। বাবা ইমরান শরিফের পক্ষে তার আইনজীবী নাসিমা আক্তার লাভলী শুনানি করেন। দুই পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য উপস্থাপন শেষে বিচারক তার খাস কামরায় দুই শিশুর বক্তব্য শুনে এ আদেশ দেন।
রোববার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমান বাবা ইমরান শরীফের করা মামলা খারিজ করে জাপানি বংশোদ্ভুত ওই দুই শিশু মায়ের জিম্মায় থাকবে বলে রায় দেন। এদিকে রায়ের বিরুদ্ধে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল করেন বাদী ইমরান শরিফ। আপিল শুনানির জন্য আদালত আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।
উল্লেখ্য, সন্তানসহ পালানোর চেষ্টার অভিযোগে জাপানি মা এরিকো নাকানোর বিরুদ্ধে সন্তানদের বাবা ইমরান শরিফ গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলাও করেন।
আমাদের কাগজ/এমটি





















