আন্তর্জাতিক ডেস্ক
কয়েক সপ্তাহের উত্তেজনা আর হুমকির পর অবশেষে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘‘বড় ধরনের যুদ্ধের অভিযান’’ শুরু হয়েছে। এর আগে, একই দিনে ইরানের রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্থাপনা ও সামরিক বাহিনী লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তেহরান। কাতার, কুয়েত, বাহরাইনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর দিয়েছে আল-জাজিরা। ইরানে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী পতনই এবারের সামরিক অভিযানের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সব স্বার্থ এখন ইরানের হামলার বৈধ লক্ষ্যে পরিণত হবে।
হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান
তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল মিশন এসপাইডেসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়ে দিয়েছে ‘হরমুজ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না।’
হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান
তেল রপ্তানির জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হলো হরমুজ প্রণালী। এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারীদের জন্য তেল রপ্তানির পথ। এখান দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় তেল পাঠায় সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত। সরু এ সামুদ্রিক পথটি ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে।
















