নিজস্ব প্রতিবেদক
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়ে ইসি।
সোমবার (৪ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি আসনে একজন প্রার্থী থাকায় নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেছি। আমরা কমিশনের কাছে নথি পাঠিয়েছি। তাকে নির্বাচিত ঘোষণার গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।
জানা যায়, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করার পর ৩ বছর অতিবাহিত না হওয়ায় জামায়াত জোটের এনসিপির আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরপরই তড়িঘড়ি করে গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকাল ৪টা বাজার ১৯ মিনিট পর নুসরাত তাবাসসুম মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা।
তখন নুসরাত আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করে সংস্থাটি।
এরই মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে মনিরা শারমিন আদালতে রিট করেন এবং নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেন যে, আদালতের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেন নুসরাতের গেজেট প্রকাশ করা না হয়। তবে সোমবার মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা ওই রিট আবেদনটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। বেঞ্চের এক বিচারপতি এবং রিট আবেদনকারী একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় রিটটি শুনানির জন্য অন্য বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। রিটটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে।
এর আগে আজ বিকালে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘‘আদালতের কোনও তথ্য এখনও পর্যন্ত (বিকেল) আমরা পাইনি। মনিরা শারমিনের চিঠিতে তো কিছু যায় আসে না। আমরা আজকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। এর মধ্যে যদি তার বিষয়ে কোনও তথ্য না আসে, তাহলে নুসরাত তাবাসসুমের নামে গেজেট প্রকাশ করবো।’’



















