আন্তর্জাতিক ২০ মে, ২০২৩ ০৭:৩৮

ওগানের সঙ্গে এরদোয়ানের রুদ্ধদ্বার বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মে। তার আগে প্রথম রাউন্ড নির্বাচনের ফলে শীর্ষে থাকা প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বৈঠক করেছেন এটিএ জোটের নেতা সিনান ওগানের সঙ্গে। মাত্র পাঁচ শতাংশ ভোট পেলেও এখন এই ওগানই দেশটির রাজনীতিতে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছেন।

শুক্রবার (১৯ মে) অনুষ্ঠিত এক ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার এ বৈঠকের ব্যাপারে কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি। এর আগে ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) ডেপুটি চেয়ারম্যান বিনআলি ইলদিরিম বলেছিলেন, রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও তৃতীয় স্থানে থাকা প্রার্থী সিনান ওগানের মধ্যে এতটা বৈপরিত্য নেই যে, তারা কোনো বিষয়ে একমত হতে পারবেন না।

গত ১৪ মে তুরস্কে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে কেমাল কিলিচদারোগলো এবং এরদোয়ানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সিনান ওগান। নির্বাচনে তিনি ৫ শতাংশেরও বেশি ভোট পান। তবে এরদোয়ান ও কেমাল যথাক্রমে সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় নির্বাচনের প্রথম ধাপ থেকেই ছিটকে যান ওগান।

প্রথম ধাপে যেহেতু এরদোয়ান ও কেমালের কেউই এককভাবে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি ভোট পাননি ফলে এ নির্বাচন রান-অফে গড়িয়েছে। রান-অফে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনিই আগামী ৫ বছর তুরস্ক শাসন করবেন।

সিনান যেহেতু ৫ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন ফলে তিনি এখন রান-অফ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন। কারণ তার সমর্থকরা এ নির্বাচনে যাকে ভোট দেবেন তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে যাবেন। ফলে এখন এরদোয়ান এবং কেমাল দু’জনই ওগানের সমর্থকদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন। এর অংশ হিসেবেই প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ওগানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

একটি সূত্র জানিয়েছে, ওগানের সঙ্গে এরদোয়ান এক ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন। তাদের এ বৈঠকের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতিও দেওয়া হয়নি।

এদিকে তুরস্কের এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৪৯ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এরদোয়ান। অপরদিকে বিরোধী জোটের কেমাল পেয়েছেন ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট। আর সিনান ওগান পেয়েছেন ৫ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। ওগান এত সংখ্যক ভোট পাওয়াতেই প্রথম ধাপে কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেননি।

আগামী ২৮ মে হতে যাওয়া রান-অফ নির্বাচনে সিনান ওগান কাকে সমর্থন জানাবেন সেটি এখনো প্রকাশ্যে জানাননি। তবে এরদোয়ানের একে পার্টির ডেপুটি-চেয়ারম্যান বিনালি ইলদিরিম বলেছেন, এরদোয়ান এবং ওগানের মতের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। সূত্র: ডেইল সাবাহ।

আমাদেরকাগজ/এইচএম