সারাদেশ ৭ মে, ২০২৩ ০৭:০২

বন বিভাগের ৩০ টি তালগাছ কর্তন, ইউপি চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্ক: পটুয়াখালীতে বন বিভাগের রোপণকৃত বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কিছু গাছের চারা কেটে ফেলা হয়েছে। কলাপাড়ায় প্রাচীন এ গাছ কাটার ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে মহিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। এ ঘটনায় আগামী ১৮ মে তাদের আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৭ মে) এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি এ কে এম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রামীণ সড়কের কাজ করতে গিয়ে অন্তত ৩০টি তালগাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামে সড়কের পাশে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী তালগাছসহ বন বিভাগের রোপণকৃত বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কিছু গাছের চারা কেটে ফেলা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পরিবেশ রক্ষায় ও বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পেতে তালগাছ রোপণ করার জন্য প্রচারণা চালানো হলেও জনপ্রতিনিধিরা তা মানছেন না।

জানা গেছে, এলজিইডির জলবায়ু সহিষ্ণু গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় মহিপুর ইউনিয়নের নজিবপুর গ্রামে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৬ ফুট প্রস্থ মাটির সড়ক সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করেছে মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদ। এ সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে গিয়ে সড়কের পাশের ২৫ থেকে ৩০ বছরের প্রাচীন অন্তত তিরিশটি তাল গাছসহ বনবিভাগের সৃজিত বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কিছু গাছের চারা কাটা হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলু গাজী বলেন, এলজিইডির দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৬ ফুট প্রস্থ সড়ক সংস্কার কাজ বাস্তবায়নে এ তালগাছগুলো উপড়াতে হয়েছে। এ ছাড়া তালগাছগুলো যাদের বাড়ির সামনে পড়েছে তাদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে।

আমাদের কাগজ/এমটি