আমাদের কাগজ ডেস্কঃ সম্প্রতি গোটা বিশ্বে অর্থনীতির মন্দার রেশ বিরাজমান করছে। ব্যবসায়িক চাহিদা ও যোগান নিয়ে গতে হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে। রাশিয়া কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইউক্রেনের লাখ লাখ মানুষ পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দিনভর লড়াই করছেন।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইতোমধ্যে দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্তের খরব পাওয়া গেছে। এতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এবং বেশকিছু সপ্তাহগুলোতে লাখো মানুষ গুরুতর ব্ল্যাকআউট জীবনকে বেছে নিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘জীবনের জন্য-হুমকিপূর্ণ’ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছে এবং অনুমান করেছে, এর ফলে লক্ষাধিক মানুষ তাদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে পারে বলে ধারণা করছে তারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘প্রায় সব অঞ্চলেই বিদ্যুতের পরিস্থিতি ভয়াবহ। তবে, আমরা ধীরে ধীরে ব্ল্যাকআউট থেকে দূরে চলে যাচ্ছি, প্রতি ঘণ্টায় আমরা নতুন গ্রাহকদের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছি।’
এদিকে কিয়েভে রাশিয়ান হামলার ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পর মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বলেছেন, রাজধানীর ৬০ শতাংশ বাড়ি এখনও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হচ্ছে। তবে, শহরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানি পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।’ তবে, কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেক্সি কুলেবা বলেছেন, শহরের উপকণ্ঠে ভিশগোরোদে গোলাবর্ষণে সাতজন নিহত হয়েছে।
ইউক্রেন বলেছে, রুশ বাহিনী প্রায় ৭০টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে ১০ জন নিহত এবং প্রায় ৫০ জন আহত হওয়ার অভিযোগ করেছে।
আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান সের্হি হামালির মতে, খমেলনিটস্কির পশ্চিম অঞ্চলটিতে মারাত্মক বিদ্যুৎ সংকটে রয়েছে। স্বাভাবিক চাহিদার মাত্র ৩৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যকর রয়েছে।
আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের ওলেহ সিনহুবভ বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী পূর্ব খার্কিভ অঞ্চলের প্রায় তিন লাখ বাসিন্দা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎবিহীন ছিল। তবে, প্রায় ৭০ শতাংশ গ্রাহকের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
‘আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করেছি’ এ কথা উল্লেখ করে খারকিভ শহরের মেয়র ইগর তেরেখভ বলেছেন, বাড়িগুলোতে পানি সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে এবং পৌর কর্মীরা গণপরিবহন পুনরায় চালু করছে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, এটা খুব কঠিন ছিল।’
আমাদের কাগজ/এম টি




















