আন্তর্জাতিক ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ০১:৪১

ভয়াবহ পরিস্থিতি পাকিস্তানে

মুরগির কেজি ৫০০, দুধের লিটার ২১০ রুপি, স্টেশনগুলোতে মিলছে না পেট্রোল

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ অর্থনীতির ভরাডুবিতে কাটছে পাকিস্তানের জনজীবন। একের পর এক সংকটে থাকা দেশটির মূল্যস্ফীতি এখন ৪৮ বছরে মধ্যে সর্বোচ্চ। গত কয়েকমাস ধরেই সেখানে আটা, চা, চিনি, দুধসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের হাহাকারের ছবি ধরা পড়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যমে। যত দিন যাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর বাজার মূল্য আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে। 

সংবাদ মাধ্যম ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটিতে প্রতি লিটার দুধের দাম পাকিস্তানি মুদ্রায় ১৯০ থেকে বেড়ে হয়েছে ২১০ রুপি। জানা যায়, দুগ্ধখামারি ও পাইকারি বিক্রেতাদের ঘোষিত দাম যদি প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে দুধের দাম আরও বাড়বে।

এদিকে গত দুইদিনে সেখানে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ রুপি বেড়ে ৪৮০ টাকা থেকে ৫০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম হয়েছে প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১১০০রুপিতে। এছাড়াও প্রতি ডজন মুরগির ডিম ২৮০ থেকে ৩০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের জ্বালানি স্টেশনগুলোতে পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না।  

ডনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি ৪৮ বছরের সর্বোচ্চ। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করছে দেশটি। তবে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকের শেষ দিনে কোনো চুক্তিতে পৌছাতে ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। তবে দেশটির অর্থ সচিব জানিয়েছেন, শীঘ্রই একটি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে।

এছাড়া গত বছর জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত পাকিস্তানের রেমিট্যান্স অনেক কমেছে। রেমিট্যান্স দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ের একটি প্রধান উৎস। 

তাই রেমিট্যান্স হ্রাসও পাকিস্তানের অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা বলা যেতে পারে। দেশের বেশিরভাগ রেমিট্যান্স এখন চোরা পথে আসছে বলে মনে করা হচ্ছে।


আমাদের কাগজ/এমটি