অর্থ ও বাণিজ্য ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:৩৯

মুনাফায় তিন কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, জিবিবি পাওয়ার এবং ন্যাশনাল টি’র মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল টি লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফিরেছে। চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে প্রতি তিনমাস পর পর তাদের ব্যবসার আয়-ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করতে হয়।

আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এই তিন কোম্পানি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে কোম্পানি তিনটির মুনাফায় উন্নতির তথ্য উঠে এসেছে।

লিগ্যাসি ফুটওয়্যার

২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৪১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২০ পয়সা। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ২১ পয়সা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বাড়ার পরও ছয় মাসের (২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর) হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৯ পয়সা।

২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর প্রান্তিকে মুনাফা বৃদ্ধির পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বেড়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫২ পয়সা, যা জুন শেষে ছিল ১০ টাকা ৪৩ পয়সা।

এদিকে, অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারিটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা।

জিবিবি পাওয়ার

২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৭ পয়সা। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনায় শেয়ার প্রতি মুনাফা বেড়েছে ২৮ পয়সা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বাড়ায় ছয় মাসের (২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর) হিসাবেও কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ৭৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৫ পয়সা।

২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে মুনাফা বৃদ্ধির পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য বেড়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ২১ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ১৯ টাকা ৮৫ পয়সা।

এদিকে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারিটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ৮৯ পয়সা।

ন্যাশনাল টি

২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৩০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১ টাকা ২৭ পয়সা।

লোকসান কাটিয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফায় ফিরলেও ছয় মাসের (২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর) হিসাবে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় কমেছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ২ টাকা ৪১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৬২ পয়সা।

২০২০ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে মুনাফা বাড়ার পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য বেড়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১১৮ টাকা ৬৬ পয়সা, যা জুন শেষে ছিল ১১৬ টাকা ৭৫ পয়সা।

এদিকে, অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে শেয়ারপ্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৩২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ছিল ১ টাকা ৬৩ পয়সা।