আমাদের কাগজ ডেস্কঃ একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে। আজ রবিবার সকাল থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে মুরগি বিক্রি হচ্ছে। যা গতকাল শনিবার ছিলো ২২০ টাকা করে।আজ বারিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়ী, রায়েরবাজারসহ কয়েকটি বাজারের দোকানিরা এই তথ্য জানিয়েছেন।
কারওয়ানবাজারের বিক্রেতা ফারুক মিয়া দুপুরে আমাদের কাগজ অনলাইনকে বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে আমাদেরও দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বাজারে সোনালি বা কক ২৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪৯০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ এ ছাড়া খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে মুরগি কিনতে আসা সরোয়ার হোসেন আমাদের কাগজ অনলাইনকে বলেন, গতকাল বাসায় মেহমান আসায় মুরগি কিনেছি ২২০ টাকা দরে। কিন্তু আজ ২৩০ টাকা কেজি দরে কিনলাম। তিনি আরো বলেন, মুরগির দাম এখনি নিয়ন্ত্রণ না করলে সামনে আরো বাড়বে। সরকারের উচিত এখনি দাম নিয়ন্ত্রণ করা।
এদিকে কাঁচা বাজারে আসা টিপু রহমান জানান, সবকিছুর দাম বেশি। প্রতি আটি লাউ শাক কিনতে হচ্ছে ২০ টাকা করে, লাল শাক ১০ টাকা প্রতি আটি এছাড়া পুইশাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, চিনিতে অখুশি অখুশি সর্বসাধারণ। আগে চিনিতে শুধু চায়ের দোকানিদের অভিযোগ থাকলেও রমজানে সবারই অভিযোগ মিলছে চিনিতে। গাছ বা ফলের রস থেকে প্রস্তুত কৃত চিনির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে, ১১০ থেকে ১২০ টাকা।
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আজ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘শুল্ক কমানোর ফলে চিনির কেজি সাড়ে চার টাকার মতো কমানো যাবে। আমরা ব্যবসায়ীদের পাঁচ টাকা কমানোর অনুরোধ করছি। তারা আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন। আশা করি, রোজার প্রথম সপ্তাহেই চিনির দাম কেজিতে পাঁচ টাকা কমবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে ভয় হচ্ছে যে চিনি নেই। চিনি কিন্তু পাইপলাইনেও প্রচুর আছে। ফলে চিনি নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। আমরা জাতির সামনে একটি কথা বলতে চাই, রমজানে আমাদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।’
আমাদের কাগজ/এমটি




















