নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সারের মূল্যবৃদ্ধির 'অসত্য তথ্য' দিয়ে আবারও সারের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কৃষক ও জনস্বার্থবিরোধী। বিশ্ব বাজারে ইউরিয়া সারের দাম ৬২ শতাংশ, ডিএপির ২৪ শতাংশ ও টিএসপির ২৫ শতাংশ দাম কমলেও সারের দাম বৃদ্ধি কৃষকের সাথে প্রতারণার শামিল। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে আবার সারের মূল্যবৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।
বুধবার এক বিবৃতিতে ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তর প্রতিবাদ জানিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, এমনিতে সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, ভ্রান্তনীতি, অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত, অব্যবস্থাপনা, সমন্বয়হীনতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, অর্থনৈতিক সঙ্কট, ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দা, কাজ হারানোর ফলে মানুষ বিপর্যস্ত। এখন আবার নতুন করে সারের দাম বৃদ্ধিতে কৃষকসহ জনসাধারণ দিশেহারা। সরকারের সারের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্তের ফলে কৃষক ও জনসাধারণ তীব্র সঙ্কটে পড়বে।
তিনি বলেন, অর্থনীতিতে সরকারের ভ্রান্তনীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসপ্রায়। এখন ধ্বংসের মুখোমুখি অর্থনীতিকে জোড়াতালি দিতে জনগণের ওপর ছুরি চালাচ্ছে ভোটারবিহীন সরকার। তথাকথিত উন্নয়নের ভেলকিবাজীতে দেশের মানুষ এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জনগণের পকেট কাটতে নানা ফন্দি-ফিকির চালিয়ে একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে অবৈধ সরকার। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ জনগোষ্ঠী কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষকরা লোকসানে পড়ে কৃষি উৎপাদনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে। কৃষকরা কৃষি উৎপাদন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হবে। সেটি হবে দেশের সমস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য বিরাট অশনি সংকেত।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বৈশ্বিক মন্দা ও আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে একের পর এক জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড করছে নিশিরাতের ভোটের সরকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের নিকট তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই এবং তারা জনস্বার্থের কথা চিন্তাও করে না।
আমাদেরকাগজ/এইচএম





















