সারাদেশ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ০৭:৪৬

এক হাজার মোটরসাইকেল চুরি করেছে খালেক : ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্যারেজ মেকানিক মো. খালেক হাওলাদার ওরফে সাগর আহম্মেদ, ১৫ বছরে এক হাজার মোটরসাইকেল ঢাকা থেকে চুরি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেছে সে।গ্যারেজে কাজ করতে গিয়ে তার পরিচিত হয় মোটরসাইকেল চোর চক্রের সঙ্গে। পরে গ্যারেজ পেশা ছেড়ে চুরিতে জড়িয়ে পড়ে খালেক।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা-উত্তরা বিভাগ মোটরসাইকেল চোর চক্রের এই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তার কাছ থেকে ১২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার খালেকের সঙ্গে আরও ৭-৮ জনের দল রয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেলগুলো তারা চাঁদপুর, নোয়াখালী ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় নিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছে বিক্রি করতো। বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

হারুন অর রশীদ বলেন, গ্রেফতার খালেকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি গ্যারেজ থেকে ১২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করি। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ১৫০টিরও বেশি মোটরসাইকেল উদ্ধার করি।

ডিবি প্রধান বলেন, রাজধানী থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, মুন্সীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও হাওর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কম দামে বিক্রি করা হয়। এসব চোরাই মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকলেও কিনে নিচ্ছেন অনেকে।

‘আমরা বারবারই বলে যাচ্ছি, কাগজপত্র নেই এমন মোটরসাইকেল কেনা অবৈধ। চোরাই মোটরসাইকেল যার কাছে পাবো তাকেই চোর হিসেবে সাব্যস্ত করবো। কারণ, চোরাই মাল কেনাও একটা অপরাধ। কেউ যদি কাগজপত্রবিহীন চোরাই মোটরসাইকেল কেনেন, তার বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, কেউ একজন ডুপ্লিকেট চাবি বানাতে এলে দোকানি বাড়তি আরও একটি চাবি বানিয়ে তার কাছে রেখে দেন। তারা এই কাজটি নিয়মিত করছেন। চাবির মেকানিকও এই চক্রের সদস্য। যারা নকল চাবি বানান তাদের বিরুদ্ধেও ডিবির অভিযান চলছে। গাড়ি কিংবা মোটরসাইকেল চুরি হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ থানায় ভুক্তভোগীকে জিডি করার পরামর্শ দিয়ে হারুন অর রশীদ বলেন, জিডির কপিটি নিয়ে ডিবি টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে মোটরসাইকেল উদ্ধারে আমরা চেষ্টা করবো।

আমাদেরকাগজ/ এইচকে