বিনোদন ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদে নিযুক্ত হন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী কাজী হাবলু। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন কাজী হাবলু নিজেই। এছাড়া তিনি বলেন, ‘শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৪ ডিসেম্বর থেকেই নিযুক্ত হয়েছি। তবে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুরোদমে কাজ শুরু করতে আরো কিছু দিন সময় লাগবে।’
তার অনুভূতি জানতে চাওয়ায় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বেশ ভালো লাগছে। শিল্প-সংস্কৃতির তীর্থস্থান শিল্পকলা একাডেমি। এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক হওয়া নিঃসন্দেহে সম্মানের। প্রিয় মানুষজন ছাড়াও অনেকেই শুভেচ্ছা-অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এখন সবার আন্তরিকতা নিয়ে যথাযথ দায়িত্ব পালনের চেষ্টাই থাকবে।’
কাজী হাবলু সংগীতের প্রায় সমস্ত শাখায় কাজ করেছেন। তবে তাকে ব্যান্ড মিউজিকের কিংবদন্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। তার আগে কোনো ব্যান্ড শিল্পী এই দায়িত্ব পাননি।
উল্লেখ্য, শুধু ব্যান্ড মিউজিক এ সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি। বেতারে কাজ করেছেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের প্রথম ব্যান্ড ‘স্পন্দন’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী । আজম খানের সঙ্গে ‘উচ্চারণ’ ব্যান্ডের গঠনেও যুক্ত ছিলেন তিনি। দেশীয় সংগীতাঙ্গনে পারকাশনিস্ট শব্দটি এলেই এই মানুষটির নাম সবার আগে আসে। পারকাশনিস্ট হিসেবে তাকে চেনেন না সংগীতাঙ্গনে এমন কেউ নেই বললেই চলে। সেই ষাটের দশক থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত নিরলসভাবে আমাদের সংগীতকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন গুণী এই মিউজিশিয়ান। বাংলাদেশের বাইরে তিনি ৪২টি দেশে পারফর্ম করেছেন। রয়েল অ্যালবার্ট হল, ম্যাডিসন স্কয়ার, শেন অডিটোরিয়াম লস অ্যাঞ্জেলসের মতো বিখ্যাত স্থানগুলোতে পারফর্ম করার কৃতিত্ব রয়েছে কাজী হাবলুর।






















