খেলাধুলা ৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ১১:২৮

কাতার বিশ্বকাপ

কোয়ার্টারের বন্দরে পৌঁছালো পর্তুগাল

ছবি:ইন্টারনেট

ছবি:ইন্টারনেট

স্পোর্টস ডেস্ক: কাতার বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (০৬ ডিসেম্বর) কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আল রাইয়ানের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে সুইসদের বিপক্ষে মাঠে নামে পর্তুগাল। ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের জালে গোল উৎসবে মেতে কোয়ার্টার ফাইনালে নিশ্চিত করে পর্তুগাল।

রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগিজদের জাহাজ তখন কোয়ার্টারের বন্দর দেখে নিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-১ গোলে যখন এগিয়ে গেছে, তখন রোনালদোকে ম্যাচের ৭৩ মিনিটে শুধু নোঙর ফেলার জন্য নামিয়েছিলেন কোচ সান্তোস। শ্রদ্ধাভরে অধিনায়কত্বের ব্যান্ডটি তাঁর হাতে পরিয়ে দিয়েছিলেন পেপে। পুরো গ্যালারির হর্ষোল্লাস বলে দিয়েছিল- শুধুই কি পর্তুগালের জয়! তাঁরা তো দেখতে এসেছেন তাঁদের প্রিয় তারকা রোনালদোকেই।

ম্যাচের ১৭ মিনিটের মাথায় বাঁ দিকের অ্যাঙ্গেল মেপে জোরালো শটে গোল করেন গঞ্জালো রামোস। পর্তুগিজ এক সাংবাদিক তথ্য বের করে ফেলেন, এই রামোস এর আগে দেশের হয়ে মাত্র ৩৫ মিনিট খেলেছিলেন। আর ১৭ মিনিটেই নকআউট ম্যাচে গোল করেছেন। সেখানে রোনালদোর নকআউট ম্যাচে নাকি ৫১৪ মিনিটেও কোনো গোল নেই! বোঝা যায়, বয়সের কারণেই রোনালদোকে যাঁরা 'সিআর থার্টিসেভেন' বলে, তাঁদেরই একজন হবেন ওই সাংবাদিক। অবশ্য পর্তুগালের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন একজন ৩৯ বছর বয়সী। পেপে- কর্নার থেকে পাওয়া বল তাঁর হেডেই গোল হয়। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়সী ফুটবলারের গোলদাতার তালিকায় এখন তিনি দ্বিতীয়তে। ম্যাচের তৃতীয় আর রামোসের দ্বিতীয় গোলটি আসে ৫১ মিনিটে। ডালোতের একটি ক্রস থেকে গোল করেন তিনি। ৫৫ মিনিটে রাফায়েলের গোলে ৪-০ হয়ে যায় ম্যাচ।

তারপর ৫৯ মিনিটে ম্যানুয়েল আকাঞ্জি সুইসদের হয়ে একটি গোল শোধ দেন। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৭ মিনিটে পর্তুগালের হয়ে নিজের তৃতীয় ও দলের ৫ম গোলটি করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন গন্সালো রামোস। পেলের পর তিনিই সবচেয়ে কমবয়সী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নক আউট রাউন্ডে হ্যাটট্রিক করলেন। তার হাত ধরেই এবারের বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক দেখলো সবাই।

 

আমাদের কাগজ//টিএ