নিজস্ব প্রতিবেদক।।
অবৈধ ক্যাসিনো চালানোয় যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গুলশানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাজারখানেক নেতাকর্মী নিয়ে সংগঠনের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট।
বুধবার(১৮ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে কাকরাইলে যুবলীগের ওই কার্যালয় ভেতর-বাইরে হাজার খানেকেরও বেশি নেতাকর্মীকে অবস্থান করতে দেখা যায়। তারা সম্রাটের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগানও দেন।
দুপুরের পর গুলশান ২ নম্বরের ৫৯ নম্বর সড়কে খালেদের বাসা এবং ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবে একযোগে অভিযান শুরু করেন র্যাব সদস্যরা।ওই ক্লাবে পাওয়া যায় মদ আর জুয়ার বিপুল আয়োজন। সেখান থেকে ২৪ লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়। ১৪২ জনকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
অপরদিকে সন্ধ্যায় গুলশানের বাসা থেকে খালেদ ভূঁইয়াকে নিয়ে যায় র্যাব। ওই বাসায় একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন র্যাব কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় যুবলীগ নেতাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনটির প্রভাবশালী নেতা খালেদকে ধরা হল।
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদা দাবির অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা ‘শোভন-রাব্বানীর চেয়েও খারাপ’ বলে মন্তব্য করেন।
যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে ইঙ্গিত করেই প্রধানমন্ত্রী ওই কথা বলেছিলেন বলে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়।






















