ডেস্ক রিপোর্ট ।।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগে ঢাকা উত্তরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেকুজ্জামান রাজীবকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তারের পর রাজীবকে বহিষ্কার করেছে যুবলীগ।
শনিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে একটি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৩ রাউন্ড গুলি, ৭ বোতল বিদেশী মদ ও ৩৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব-১ কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে আলাদা দুটি মামলা করা হয়েছে।
ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু পর থেকেই গা ঢাকা দেন রাজীব। শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ব্যবসায়ী বন্ধু মিশু হাসানের ফ্ল্যাট ঘিরে রাখে র্যাব-১, সেখান থেকেই রাত সাড়ে ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব জানায়, গত ১৩ অক্টোবর থেকে এই বাসাটিতে আত্মগোপনে ছিলেন রাজিব।রাজীবের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরে র্যাব।
এরপর রাজীবকে নিয়ে তার মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে কিছু না পেলেও রাজীবের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে একটি চেক আনায় র্যাব, যা দিয়ে ৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। বাসার পর কাউন্সিলর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে সেখানেও কিছুই পায়নি র্যাব।
রাজীবের পরিবারের দাবি, রাজীব ষড়যন্ত্রের শিকার। রাজীবের নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।
এদিকে, কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তারেকুজ্জামান রাজীবের মোহাম্মদপুরের বাসার সব আলামত ধ্বংস ও কাজে অসহযোগিতার দায়ে তার পিও সাদেককে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার ভোর রাতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই আদেশ দেন।






















