আমাদের কাগজ ডেস্কঃ আরেক দফা বেড়েছে আটার দাম। প্যাকেটজাত ও খোলা দুই ধরনেই আটা আগের চেয়ে কেজিতে দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৬ টাকা। দরকষাকষি করে ১৪০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। তাতে প্রতি কেজি আটার দাম পড়ছে ৭০ টাকা। বাজারের এমন পরিস্থিতিতে বাজার ক্রেতার নাভিশ্বাস শুনতে পাওয়া যায়।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন দরে বিক্রি হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্য। এ দিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সাথে সাথে বেড়েছে আলুর দামও। গত কয়েকদিন ধরে বাজারে নতুন আলু উঠতে শুরু করছে।তবে বিক্রেতারা চড়া দাম হাকাচ্ছেন। স্থানীয় বাজারগুলোতে এই আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা করে। মিরপুরের বৃহত্তর সবজির বাজারের বিক্রেতা ইউনুস মিয়া বলেন, ‘নতুন আলুর কেজি ১৬০। বাড়িয়ে নিলে ১৫০ রাখা রাখি। আর পাল্লা (৫ কেজি) ৭০০ টাকা।’ নতুন আলুর দাম এত বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নতুন দেখেই দাম বেশি। পরে সেই ৩০ টাকায় বিক্রি হবে।’
তিনি আরও বলেন, কাওরান বাজারেই কেজি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমাদের আনার খরচ ১০-১৫ টাকা পড়ে। সব মিলিয়ে একটু লাভ রেখে বেচতে হয়।’ প্রসঙ্গত সপ্তাহ দুয়েক আগে এক দফা বেড়েছিল আটার দাম। তখন দাম ছিল প্রতি কেজি ৬৫ টাকা। বাড়তি দরের আটা বাজারে আসার আগে কয়েক দিন বাজারে এর সংকট ছিল। প্রতিষ্ঠানগুলো তখন সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা। তবে কয়েকটি বিপণনকারী কোম্পানি আটার দুই কেজির প্যাকেটের মূল্য নির্ধারণ করেছে ১৪৪ টাকা, যা আগের চেয়ে ১২ টাকা বাড়তি। অর্থাৎ কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৬ টাকা।
সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, এক বছরে প্যাকেটজাত আটার দাম ৬৩ ও খোলা আটার দাম ৮১ শতাংশ বেড়েছে। এ দিকে নানা অজুহাতে চিনির দামেও আগুন। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি চিনির দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। তবুও বাজার ঘুরে দেখা গেছে চিনির সংকট।
আমাদের কাগজ/ এম টি






















