অর্থ ও বাণিজ্য ৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:৩৩

ডিমে বাড়তি দাম,সবজিতে স্বস্তি 

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃমোটামুটি সবাই অবগত শীত আসলে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তিতে কাটে ক্রেতাদের। তবে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে বলে দাবি করছেন ক্রেতারা। এ ছাড়া সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচ ও চিনির দাম। তবে কমতে শুরু করেছে চালের দাম।শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতি পিস বাঁধাকপি ও ফুলকপির দাম পড়ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। 

প্রতি কেজি বেগুন ৫৫ থেকে ৭০ টাকা এবং করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজি দরে শিম এবং ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে শসা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আদার দাম পড়ছে ১২০ টাকা।

প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি বাজার থেকে উধাও। কোনো কোনো দোকানে স্বল্প পরিমাণ প্যাকেট চিনি মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে। প্রতি কেজি দেশি মসুরের ডাল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং ভারতীয় মসুর ডালের দাম লাগছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা।

খোলা আটার দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। দুই কেজির প্যাকেট আটার দাম পড়ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। এ ছাড়া বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা।

প্রতি ডজন ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ২১০ থেকে ২২০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিমের দাম পড়ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ ও লেয়ার মুরগি ২১০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বাজারে ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি গরুর মাংস এবং ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, আমন চালের সরবরাহ বাড়ায় বাজারে শেষ পর্যন্ত কমতে শুরু করেছে চালের দাম। ১ থেকে ২ টাকা কমে কেজিপ্রতি পাইজাম ও বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকায়। তবে, এখনো কমেনি মিনিকেট চালের দাম। বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকায়। 

প্রসঙ্গত,ডিমকে বলা হয় ব্যাচেলর উইক পয়েন্ট। মাসের শেষে মেসে ডিমের ঝোল যেন হার মানায় মাছ ও মাংসকেও। এমনি দাবি জানান প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। 

অন্তু নামের এক শিক্ষার্থী দাবি করেন,'এভাবে কিছু দিন পরে পরে ডিমের উপর ঊর্ধ্ব দাম নির্ধারণ করা হয় এতে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় আমাদের মত ঘর ছাড়া ব্যাচেলর শিক্ষার্থীদের' তাই ঘোর দাবী জানিয়ে তিনি বলেন, ডিমের দাম না কমলে মাসের মিল খরচ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দাঁড়াবে। 

প্রাইমারি স্কুলের স্কুল শিক্ষক হামিদ সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি জানান, 'মাস কাবারী বাজার খরচের বেশি খরচ করতে হয় হচ্ছে। শুধু সবজি দিয়ে তো আর সংসার চলে না নিত্য প্রয়োজনীয় সবই লাগে'। 'ডিম তো আরও বেশি লাগে বলে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, সকালের নাস্তা, ঘরে ছোট নাতি আছে প্রতি বেলায় তার ডিম প্রয়োজন এভাবে ডিমের দাম বাড়তে থাকলে মাস শেষে এই বেতনে আরও হিমশিম খেতে হবে আমাদের'।  

আমাদের কাগজ/এম টি