অর্থ ও বাণিজ্য ২০ মার্চ, ২০২৩ ০৪:৩৫

রোজার আগে ৩০০ ছুঁই ছুঁই ব্রয়লার  

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ বাজারে এখন দ্রব্যমূল্যের দাম ঊর্ধ্বগতি। হাতের নাগালে নেই নিত্যপণ্যের দাম। রমজান মাস সামনে রেখেও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। এতে দিশেহারা ভোক্তা শ্রেণীর মানুষ। দায়ী করছেন সরকারকে। তবে আসলেই কি তাই? সাধারণ ব্যবসায়ীরা মনে করেন, একশ্রেণির অসাধু চক্র বা বাজার সিন্ডিকেট এর জন্য অনেকাংশে দায়ী।  

তবে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বারবারই বলছে, রমজানে সব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। দেশে খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে, আগের চাইতে বাজারের চিত্র একটু ভিন্ন। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার সাথে সাথেই ক্রেতা সংকটে ভুগছেন ব্যাবসায়ীরা। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর আগের দিন গত শনিবারও কেজিতে দাম বাড়ে ৭-৮ টাকা। সে হিসাবে গত শুক্রবারের পর অর্থাৎ তিনদিনে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

গত শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আজ সোমবার তা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা পর্যন্ত। 

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় এমনিতেই মুরগির সংকট। তার ওপর গত দুদিনে বৃষ্টিতে সরবরাহ আরও কমেছে। এ কারণে বাজারে দাম বেড়ে গেছে। 

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ব্রয়লার মুরগির বর্তমান দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়তে বাড়তে এখন প্রতি কেজি প্রায় স্বাভাবিক দামের থেকে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মাসখানেক আগেও প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এতটা বাড়তি দামে ব্রয়লার মুরগি কখনো বিক্রি হয়নি। ব্রয়লারের দাম বাড়ার কারণে এখন বেড়েছে সোনালি ও কর্কসহ দেশি মুরগির দামও। দেশি মুরগির দাম সাধারণের নাগালের বাইরে গেছে অনেক আগেই।

এদিন বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা আর খাসির মাংস প্রতি কেজি এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এদিনে বিক্রেতাদের দাবী, এখন মানুষ বাজারে আসেন ঠিকই। কিন্তু দাম শুনে ফিরে যায় অনেকে। 

আমাদের কাগজ/এমটি