অর্থ ও বাণিজ্য ১৯ মে, ২০২৩ ১২:১৯

পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা, বেড়ে চলছে দাম

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্ক: চোখে পড়ার মত দেশের বাজারে চলে আসা পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা। নানা ওজুহাতে লাগামহীন পেঁয়াজের দাম। তবে সরবরাহ ঘাটতি না থাকলেও দেশের পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে। ক্রমেই বেড়ে চলছে পেঁয়াজের দাম। 

শুক্রবার (১৯ মে) ছুটির দিনে সকাল সকাল বাজার করতে যান আমির হোসেন ।বাজারে যা কিনেছেন সবই কিনেছেন বাড়তি দামে, তবে এর মধ্যেও পেঁয়াজ তাকে অবাক করেছে। ১৫ দিন আগেও তিনি ৫৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনেছেন, সেই পেঁয়াজ আজ তিনি কিনলেন ৮০ টাকায়। মহল্লার দোকানে হাকা হচ্ছে ৯০ টাকা।

এমতবস্থায় ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনেকে ঋণপত্র খুলেছেন, আবার অনেকে প্রস্তুতি নিয়েছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ করতে পারবেন। তখন পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সারা বছর পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ টন হলেও প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টন আমদানি করতে হয়। তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষতিসহ পেঁয়াজের উৎপাদন প্রায় ৩৬ থেকে ৩৭ লাখ টন। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পচে যায় বা নষ্ট হয়। আবার আমদানিকৃত পেঁয়াজেও প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষতি বা নষ্ট হয় ৮ থেকে ১০ শতাংশ। বর্তমানে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ হারে সিডি (শুল্ক কর) আরোপিত আছে।

রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, আমদানি পেঁয়াজের কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। যদিও বাজারে আমদানি পেঁয়াজ নেই বলে জানিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। তবে দামের সত্যতা রয়েছে ঢাকার নিত্যপণ্যের বাজারে। এদিকে পেঁয়াজের দামের বিষয়কে ভোক্তারা অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক মনে করছেন।

ইসলাম নামের এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, এবার দেশে পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তবুও সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে বলছে ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ নেই বলে।

এছাড়া মুদি দোকান ঘুরে জানা যায় চিনি, তেল ডালের মতো দ্রব্যাদির দাম। এসব পণ্যের দাম আগের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে। মুসরের ডাল ১৩০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, খেসারি ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৯৫ টাকা, ছোলা ৮৫ টাকা, চিনি ১৩০ টাকা, খোলা আটা ৫৭ টাকা, খোলা ময়দা ৬৩ টাকা,  সয়াবিন তেল (প্যাকেট) ১৯৮ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৮৮ টাকা ও খোলা সরিষার তেল ২৫০ টাকা লিটার।

আমাদের কাগজ/এমটি