আইন ও আদালত ৫ অক্টোবর, ২০২৩ ১২:০৭

দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যা বললেন ড. ইউনূসসহ ও তার আইনজীবী 

আমাদের কাগজ ডেস্ক : শেষ হয়েছে গ্রামীণ টেলিকমের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলা সংক্রান্ত দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ। এদিন (বৃহস্পতিবার) তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ারের উপস্থিতে সকাল ৯টা ৪৭ মিনিট থেকে ১১টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে।

এদিকে দুদকের কার্যালয় থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের রীতিমত এড়িয়ে চলতে দেখা যায় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর আগে,  গত ২৭ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ মামলার অন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চিঠি পাঠিয়ে তলব করে দুদক। গতকাল (বুধবার) তিন পরিচালকের বক্তব্য নেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং আজ ডা. ইউনূসসহ তার আইনজীবীকে দেখা যায় এদিন। 

সাংবাদিকরা জানতে চাইলেও তিনি প্রথমে কথা বলতে রাজি হচ্ছিলেন না। সেখানে মামলার বিষয়ে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন কথা বলেন।

তবে সাংবাদিকদের অনুরোধের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমাকে ডেকেছে, আমি এসেছি। আমার বলার কিছু নেই। তবে আপনারা কষ্ট করে এসেছেন সেজন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। এরপর উপস্থিত সব সংবাদিকদের সালামও দেন তিনি।’

তিনি বলেন, যেহেতু এটা আইনি বিষয়। আমার আইনজীবী এটার ব্যাখ্যা দেবেন।

এ সময় ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রামীণ টেলিকমের ১০৬ কর্মচারী শ্রম আদালতে মামলা করেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছে, কেন তাদের নীট মুনাফার ৫ শতাংশ এর অংশ দেয়া হবে না। এ নিয়ে ট্রেড ইউনিয়নেও মামলা হয়েছিল। এই মামলা ট্রেড ইউনিয়ন শ্রম আদালতে গোপন করে হাইকোর্টে এসে একটি মামলা করল।

তিনি বলেন, ‘এ মামলাটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।’

মামলায় বলা হয়, ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের করা হয়েছে। 

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও পরিচালক এসএম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী। এছাড়া অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।

আমাদেরকাগজ/(এমটি)