ডেস্ক রিপোর্ট।।
ফরিদপুরে শুরু হয়েছে পেঁয়াজের বীজতলা তৈরির কাজ। সেজন্য বীজ কিনতে ভিড় করতে শুরু করেছে বিভিন্ন অঞ্চলের চাষীরা। তারা বলছেন, বীজ সংরক্ষণে হিমাগারের ব্যবস্থা থাকলে মৌসুম ছাড়াও বেশি সময় এই বীজ সংরক্ষণ সম্ভব হতো। এজন্য সরকারি সহায়তার দাবি তাদের। আর ভাল বীজ উৎপাদনে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের।
সাধারণত হেমন্তের মাঝামাঝিতে ফরিদপুরের কৃষকদের ব্যস্ততা বাড়ে, পেঁয়াজের বীজতলা তৈরিতে। এবারও যার ব্যতিক্রম হয়নি। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ায়, প্রায় সব উপজেলাতেই প্রস্তুত করা হচ্ছে জমি। আর ফরিদপুরের বীজের সুনাম থাকায়, তা কিনতে ভিড় বেড়েছে বিভিন্ন অঞ্চলের চাষিদের।
এ বছর ফরিদপুরি পেঁয়াজের বীজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬'শ টাকা ও তেহেরপুরি বিক্রি হচ্ছে ৭'শ টাকা কেজি। চাষীরা বলছেন, হিমাগারের ব্যবস্থা থাকলে আরো বেশিদিন এ বীজ সংরক্ষণ সম্ভব।
সামনেও উন্নত জাতের এ বীজ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক পার্থ প্রতিম সাহা।
এবছর জেলায় ২ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন হয়েছে।






















